হারুন অর রশীদ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন জানিয়েছেন, খাবার খাওয়ার পর ওবায়দুল্লাহ জোরে জোরে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন। শাহীন ক্লান্ত ছিলেন। তিনি কিছুটা বিরক্তও ছিলেন। তিনি অনুরোধ করেন, আস্তে কথা বলতে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শাহীন ও তাঁর মা-বাবাকে উদ্দেশ্য করে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করেন ওবায়দুল্লাহ। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে তীব্র বাক্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওবায়দুল্লাহ গোসলখানায় কাপড় ধুতে যান। তখন শাহীন পেছন থেকে তাঁকে চাপাতি দিয়ে তাঁর ঘাড় ও গলায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে নিজেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে লাশটি টুকরা টুকরা করেন শাহীন।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন দাবি করেছেন, নিহত ব্যক্তি তাঁকে বিভিন্ন সময় অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। এ নিয়েও তাঁদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এই বিষয়টিও হত্যার পেছনে কাজ করেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হত্যার পর বিভিন্ন স্থানে লাশের খণ্ড ফেলে দেওয়া হয় জানান হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ঢাকার চার জায়গা থেকে লাশের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি অংশ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।