একটি ধারণা প্রচলিত ছিল, পাকিস্তান রাষ্ট্রটি প্রায় ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রের’ পথে হাঁটছে। এমনকি পাকিস্তানি পাসপোর্ট বা ভিসা কোনো ভ্রমণকারীর কাগজে থাকলে উন্নত বিশ্বে যাতায়াতেও কড়াকড়ি শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে সেই পাকিস্তান আজ অভাবনীয় কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
প্রশ্ন জাগতে পারে—কীভাবে হঠাৎ পাকিস্তান এমন একটি অবস্থানে পৌঁছাল যে দেশটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, এমনকি পরোক্ষভাবে ইসরায়েলের কাছেও বিশ্বাসযোগ্য মধ্যস্থতাকারী হয়ে উঠেছে? এ বিষয় অবশ্যই গভীর ও ব্যাপক বিশ্লেষণের দাবি রাখে। বাংলাদেশসহ সমগ্র উপমহাদেশে পাকিস্তানের এই সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বর্তমানে যথেষ্ট আলোচনা হচ্ছে।
প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান থেকে আশানুরূপ ফল আদায় করতে পারছেন না। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম প্রধান পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বর্তমানে কার্যত অবরুদ্ধ। ইরান ও ওমান সম্মিলিতভাবে এই প্রণালির মালিকানা দাবি করছে। এই পথে পণ্যবাহী জাহাজের যাতায়াত এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানির ওপর একধরনের ‘টোল’ বা শুল্ক বসানো হয়েছে।