বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এক গভীর প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কি রাজনৈতিক আনুগত্যের প্রতীক, নাকি জ্ঞানচর্চার সর্বোচ্চ নেতৃত্ব? এই প্রশ্নটি কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি জাতির বুদ্ধিবৃত্তিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের প্রশ্ন। কারণ, উপাচার্য বা ভাইস চ্যান্সেলর শুধু একটি প্রশাসনিক পদধারী নন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, নৈতিকতা এবং একাডেমিক স্বাধীনতার সর্বোচ্চ প্রতীক। অথচ আমাদের বাস্তবতা ক্রমে এমন এক জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে এ পদটি অনেক সময় জ্ঞানের নেতৃত্বের বদলে রাজনৈতিক আনুগত্যের পুরস্কারে পরিণত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রের কোনো দপ্তর নয়; এটি একটি বৌদ্ধিক প্রতিষ্ঠান। এখানে জ্ঞান উৎপাদন হয়, সমালোচনামূলক চিন্তা জন্ম নেয়, এবং সমাজের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি হয়। তাই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে এমন একজন ব্যক্তির থাকা উচিত, যিনি প্রথমত একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, দ্বিতীয়ত একজন প্রতিষ্ঠিত গবেষক, এবং তৃতীয়ত একজন নৈতিক বুদ্ধিজীবী। উপাচার্যের পরিচয় হওয়া উচিত তাঁর গবেষণার গভীরতা, আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশনা, উচ্চ উদ্ধৃতি (সাইটেশনস) এবং একাডেমিক নেতৃত্বের মাধ্যমে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বাংলাদেশে এই মৌলিক মানদণ্ডগুলো প্রায়ই উপেক্ষিত হয়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews