এটাকে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতা না হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ। আবার কারও কারও মত, দুই দলই এখন নিজেদের মতো করে প্রার্থী ঠিক করছে। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা দেখার জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোট বেঁধে অংশ নিয়েছিল জামায়াত ও এনসিপি। সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কবে হবে, তা চূড়ান্ত না হলেও বছরের শেষ দিকে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনসিপির সূত্রগুলো বলছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য আপাতত দলের মনোযোগ একক প্রস্তুতিতে। যেহেতু এখনো তফসিল ঘোষণার বিষয়টি পরিষ্কার হয়নি, ফলে নির্বাচনী জোট বা সমঝোতা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে সাদিক কায়েমকে জামায়াতের প্রার্থী করার বিষয়টি নিয়ে এনসিপিতে আসিফ মাহমুদের সমর্থকদের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের নেতৃত্বের সম্মুখভাগে ছিলেন আসিফ মাহমুদ। অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে স্থান পাওয়া তিন ছাত্র উপদেষ্টার মধ্যে তিনি একজন। নির্বাচন করার উদ্দেশ্যে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর সরকার থেকে পদত্যাগ করে এনসিপিতে যোগ দিয়ে দলের মুখপাত্র হন আসিফ মাহমুদ। ঢাকা–১০ সংসদীয় আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত তিনি প্রার্থী হননি।