তবে এ ধরনের ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোর অত্যন্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান বাস্তবিক অর্থে উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম, কেবল সেগুলোকে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এই সহায়তার আওতায় আনা উচিত। তা না হলে প্রশাসনিক বা অব্যবসায়িক বিবেচনায় ঋণ বিতরণ করা হলে অর্থ ফেরত না আসার ঝুঁকি তৈরি হবে। তাতে খেলাপি ঋণের চাপ আরও বাড়তে পারে।
এর আগে করোনাভাইরাসের প্রকোপের সময় যে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছিল, তা যেমন অনেক উদ্যোক্তার কাজে এসেছে, তেমনি কিছু অর্থ ফেরত আসেনি। মনে রাখতে হবে, সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে এই ঋণসহায়তা দিচ্ছে। এটা এককালীন সহায়তা নয়।
এ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা—দুটি বিষয়ই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। গ্রাহকেরা ৭ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন, বাকি অংশ সরকার ভর্তুকি দেবে। এই সহায়তার বদৌলতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো আবার চালু হলে সেখানে যে শ্রমিক ও কর্মচারীরা কাজ করতেন, তাঁরা আবার কাজে ফিরতে পারবেন।