বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের জন্য এই তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পিইটি ফিল্ম দেশের সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যগুলোর একটি এবং ভারত এই পণ্যের অন্যতম বাজার। ভারতীয় উৎপাদকদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ডিজিটিআর অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্ত শুরু করেছে। তবে তদন্ত এখনো শেষ হয়নি এবং অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও হয়নি।
জানা গেছে, বর্তমান শুনানির উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণ গ্রহণ করা। প্রথমে মৌখিক শুনানি হবে। এরপর লিখিত বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্য ও অন্যান্য তথ্য–উপাত্ত পর্যালোচনা করে তদন্ত এগিয়ে যাবে।
অ্যান্টি–ডাম্পিং তদন্তের ক্ষেত্রে মৌখিক শুনানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এ পর্যায়ে অংশীজনদের বক্তব্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরি করে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ভারত সরকার প্রয়োজন মনে করলে অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করতে পারে। আবার অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ না পেলে তদন্তও শেষ করে দিতে পারে।
যোগাযোগ করলে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির গত সোমবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা পিইটি ফিল্মের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্য–উপাত্ত নেব এবং ভারত সরকারকে অনুরোধ করব, তারা যেন এর ওপর অ্যান্টি–ডাম্পিং শুল্ক আরোপ না করে।’ কবে অনুরোধ করা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শিগগিরই করব।’