বর্তমান বিশ্বের অন্যতম উত্তপ্ত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে পাকিস্তান। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, দীর্ঘদিনের বৈরী এই দুই শক্তির আলোচনা হতে পারে ইসলামাবাদে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটন—উভয় পক্ষের সঙ্গেই নিবিড় যোগাযোগের খবর পাওয়া গেছে। এমনকি খবর বেরিয়েছে, ২২ মার্চ ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি আলাপ করেছেন, যার পরপরই যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য আলোচনার খবরগুলো সামনে আসতে শুরু করে।
ইসলামাবাদের জন্য এই কূটনৈতিক সাফল্য আপাতদৃষ্টিতে বেশ উজ্জ্বল মনে হলেও এর আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অস্তিত্ব সংকটের প্রশ্ন। বিশেষ করে পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অস্থির প্রদেশ বেলুচিস্তানের পরিস্থিতি ইসলামাবাদের জন্য এক নতুন অগ্নিপরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের ‘কৌশলগত প্রতিরক্ষাচুক্তি’ রক্ষা করার চাপও বিদ্যমান।
পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তের দুই পাশেই বিরাজ করছে যুদ্ধপরিস্থিতি। পাকিস্তানের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান থেকে সীমান্ত অতিক্রমী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অভাবনীয় হারে বেড়েছে।