পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় কেটেছে আমার শৈশব। তখন ঈদ মানেই ছিল উৎসবের অপেক্ষা। কোরবানির ঈদের (ঈদুল আজহা) চেয়ে রোজার ঈদই (ঈদুল ফিতর) আমাকে বেশি টানত। ঈদের চাঁদ দেখার অপেক্ষা, নতুন জামা পরার আনন্দ—সবকিছু ঘিরে অন্য রকম উচ্ছ্বাস কাজ করত।

আর কোরবানির ঈদে ছোটবেলায় মন কিছুটা খারাপ থাকত। তবে কোরবানির মাংস বিলি করাটা বেশ উপভোগ করতাম। আনন্দ নিয়েই কাজটা করতাম। বড় হয়ে, বিয়ের পর সেই কাজটা আমি আরও বেশি দায়িত্ব নিয়ে করতাম।

কোরবানির ঈদে আমাদের বাসায় গরু ও ছাগল দুটোই কোরবানি হতো। হাট থেকে কিনে আনার পর আমি গরু-ছাগল খুব আদর করতাম। আমি তিন বোনের পরিবারে বড় হয়েছি। দুজন আমার বড়। তাই সুচন্দা আপা ও ববিতা আপার আদরের ছিলাম।

পর্দার তারকা হলেও ঘরের কাজে কখনো ছাড় পাইনি। তিন বোনই সিনেমার কাজের বাইরে ঘরের কাজে সহযোগিতা করতাম। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে সংসারের নানা কাজ করতাম। ঈদ এলে আমার ওপর পড়ত মাংস বণ্টনের দায়িত্ব।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews