পাম্পে ডিজেল নিতে অপেক্ষা করতে দেখা যায় ৭৫ বছর বয়সী কৃষক আলী আজগরকে। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে থেকে ৪০০ টাকার তেল পান। আলী আজগর বলেন, ‘দুই দিন আসলে এক দিন তেল পাই। খাইয়া না খাইয়া লাইনে বইসা থাকতে হয়। যতটুক তেল পাওয়া যায়, তা দিয়া এক দিনও ঠিকমতো সেচ চলে না। প্রতিদিন তেল আনতে পাম্পে গেলে জমিতে কাজ বন্ধ থাকে। এমনে চলতে থাকলে এবার সিজনে উৎপাদন নষ্ট হইব।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ২৪ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ধান চাষ হয় শ্রীনগরে ও সিরাজদিখান উপজেলায়। বছরের এ সময় কৃষকদের জমিতে সেচ দেওয়া, উৎপাদিত ধান কাটা ও ফসল পরিবহনের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভর করতে হয়।

ফিলিং স্টেশন–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ না পাওয়ায় তাঁরা সীমিত পরিমাণে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রতিদিন যে পরিমাণ জ্বালানি জেল আসছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুব সীমিত। আসার সঙ্গে সঙ্গে তা শেষ হয়ে যাচ্ছে।
হরপাড়া ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বছরের এ সময় আমাদের প্রতিদিন ১৬-২০ হাজার লিটার ডিজেলের দরকার হয়। সেখানে দুই–তিন দিন পর মাত্র সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেল আমরা বরাদ্দ পাচ্ছি, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুব নগণ্য। এতে করে কৃষকেরা চাহিদা অনুসারে তেল পাচ্ছেন না।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews