নুহার বাড়ি পঞ্চগড়ে। গত মঙ্গলবার সকালে পঞ্চগড় থেকে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন নুহা। ঢাকায় পৌঁছেছেন রাত আটটায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে একাই ঢাকায় এসেছেন তিনি। মুঠোফোনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে।
নুহা বলেন, ক্যানসারের চিকিৎসায় শেষ পর্যন্ত তাঁর পা কেটে ফেলতে হয়নি। ডান পায়ের একটি হাড় (রাইট টিবিয়া) কেটে সেখানে প্রস্থেটিক ডিভাইস বসানো হয়েছে। ফলে এক পা খানিকটা বড়, আরেক পা ছোট। ডান হাতে ক্রাচ নিয়ে হাঁটতে হয়। এই পায়ে বড় কোনো আঘাত লাগলে জীবনটা হুইলচেয়ারে কাটাতে হতে পারে—এই সতর্কতা নিয়েই চলতে হয় তাঁকে।
ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে একটু থমকে যান নুহা। বলেন, ‘বাসার সবার ভাব দেখে বুঝতাম বড় কিছু একটা হয়েছে। কিন্তু সেটা যে ক্যানসার, তা বুঝতে সময় লেগেছে। শুধু জানতাম পায়ে টিউমার। ভাবতাম, এই তো আর একটু, তারপরেই তো শেষ। কেমোথেরাপির একটা ধাপ শেষ হলেই ভাবতাম—সুস্থতার দিন কাছে চলে এসেছে।’