এই উদ্ধৃতির অনুবাদ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও মূল বক্তব্যটি হলো—কোনো উদীয়মান শক্তি যখন বিদ্যমান প্রভাবশালী শক্তির জন্য হুমকি হয়ে ওঠে, তখন সংঘাত প্রায় অনিবার্য হয়ে পড়ে। মার্কিন রাজনৈতিক বিজ্ঞানী গ্রাহাম অ্যালিসন ২০১০-এর দশকের শুরুতে এই ধারণাকে ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’ নামে জনপ্রিয় করেন। আধুনিক পটভূমিতে এখানে চীনকে এথেন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমান সময়ের স্পার্টা হিসেবে দেখা হয়।

২০১২ সালে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এ লেখা এক নিবন্ধে অ্যালিসন লেখেন, ‘আগামী কয়েক দশকে বৈশ্বিক ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে—চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি থুসিডাইডিসের ফাঁদ এড়িয়ে যেতে পারবে কি না?’

পরে ২০১৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বই ডেস্টিনড ফর ওয়ার: ক্যান আমেরিকা অ্যান্ড চায়না এস্কেপ থুসিডাইডিস’স ট্র্যাপ?-এ অ্যালিসন এই ধারণা আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি সেখানে যুক্তি দেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যুদ্ধের মুখোমুখি অবস্থানের দিকে এগোচ্ছে—যদি না উভয় পক্ষ তা এড়াতে কঠিন ও বেদনাদায়ক পদক্ষেপ নেয়।’

অ্যালিসন ইতিহাসে এমন ১৬টি ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরেন, যেখানে উদীয়মান ও প্রতিষ্ঠিত ভূরাজনৈতিক শক্তি এই ‘ফাঁদের’ মুখোমুখি হয়েছিল। এর মধ্যে ১২টি ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ বেধেছিল।

সি চিন পিং এমন সময়ে ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’-এর প্রসঙ্গ তুললেন, যখন বাণিজ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তাইওয়ানসহ নানা ইস্যুতে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews