কিন্তু সরকারি দলের নানা দমন–পীড়ন ও অসহযোগিতার কারণে বিগত সময়ে সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের উপস্থিতির অভাব আমরা সারাক্ষণই টের পেয়েছি। বিগত আওয়ামী সময়ে একটা সত্যিকার বিরোধী দল না থাকার কারণে সংসদ মূলত অকার্যকর ও সরকারি দলের আজ্ঞাবহ একটি ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছিল। কার্যত সরকারি আকাঙ্ক্ষাই সংসদে বিবেচিত হতো এবং ভিন্নমতকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে দেখা যেত না। ফলে সংসদ কেবল সাজানো একটি ব্যবস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। জুলাই গণ–অভ্যুত্থান–পরবর্তী গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় আমরা তেমন একটা সাজানো, কিন্তু অকার্যকর সংসদ আর দেখতে চাই না।
আশার কথা হলো দেশগঠনে আমরা নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যের প্রতি গুরুত্ব দিতে দেখি, যখন তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’ ঠিক তেমনই আমরা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বক্তব্য থেকে বুঝতে পারি যে তারাও একটি কার্যকর বিরোধী দল হিসেবে সংসদে আসতে চায়। এ ধরনের বক্তব্য প্রজাতন্ত্রের একজন সামান্য জনতা হিসেবে আমাদের আশ্বস্ত করে।