আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিগত বিএনপি সরকারের সর্বশেষ অর্থবছর ২০০৫-০৬, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ অর্থবছর ২০২৩-২৪ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সামষ্টিক অর্থনীতির সূচক, রাজনৈতিক ও সামাজিক খাতের সূচক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থার একটা চিত্র দেশবাসীকে অবহিত করতে চান। পাশাপাশি জনগণের ভাগ্যে একটি উন্নত, মর্যাদাশীল, বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গঠনে বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুত দর্শন–নীতিকৌশলের বিষয়ে দেশবাসীকে অবহিত করতে চান তিনি।
প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে
সরকারি তথ্য তুলে ধরে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ছিল তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে—৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। পরবর্তী সময় দুর্বৃত্তায়ন ও ভ্রান্তনীতির কারণে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষ শেষে প্রবৃদ্ধির হার কমে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ হয়। মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশে পৌঁছায়। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা নেমে আসে ৩ দশমিক ৫১ শতাংশে। কৃষিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা কমে ৩ দশমিক ৩০ শতাংশে নেমে আসে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একটি অর্থনীতি যখন শিল্পের চালিকা শক্তি হারিয়ে ফেলে, তখন কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়। সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। বিগত সময়ে এটি চরমভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।