মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর হঠাৎই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে দেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানিকারক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সমুদ্র বা আকাশ—কোনো পথেই কার্যত পণ্য যাচ্ছে না। ফলে আমদানি-রপ্তানি দুই দিকেই তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।
এদিকে ইরান গত সোমবার হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, কোনো জাহাজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করলে রেভোল্যুশনারি গার্ড ও নৌবাহিনী আগুন ধরিয়ে দেবে। এ ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরান, ইরাক, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব—এই সাত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আনা-নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী,
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসব দেশ থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে। একই সময়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য।
রপ্তানিকারকেরা বলছেন, বাংলাদেশের বহু প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, শাকসবজি, ফলমূল, হিমায়িত মাছ, ক্যাপ ও জুতা রপ্তানি করে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি কোম্পানিগুলো বড় আর্থিক সংকটে পড়বে। দ্রুত সমাধান না হলে কিছু কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে।