জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড.এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান ছিল গণআকাক্সক্ষার প্রতীক। বৈষম্যহীন ইনসাফ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ছিল এর মূল ভিত্তি।
কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় এসে সংবিধানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সংস্কারকে পাশ কাটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। সংবিধান জনগণের কল্যাণে প্রণীত; জনগণের অভিপ্রায়কে উপেক্ষা করার জন্য নয়। তাই জনগণই সংস্ককার বিরোধী যে কোন চক্রান্ত প্রতিহত করবে।
বুধবার কক্সবাজারে মহেশখালী উপজেলা দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত তৃণমূল নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট একটি মীমাংসিত বিষয়। এটা নিয়ে কোনরূপ প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সরকার সংবিধানের দোহায় দিয়ে জনগণের প্রতিষ্ঠিত গণভোটের রায় উপেক্ষা করে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, জনরায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তার উচিত জবাব জনগণই দেবে।
ড. হামিদ আযাদ বলেন, স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ নিশ্চিত করা ছাড়া গণতন্ত্র সুসংহত করা সম্ভব নয়। কিন্তু সরকার চাতুর্যের সাথে গণভোটের বৈধতা নিয়ে আদালতকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন বিচার বিভাগকে রাজনীতিকরণ করা হলে মানুষের মধ্যে বিচার বিভাগ সম্পর্কে অনাস্থা তৈরি হবে।
নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, মব ভায়োলেন্স এবং নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
মহেশখালী উপজেল দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা দক্ষিণ আমীর মাস্টার শামিম ইকবালের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ জাকের হোসাইন, সাবেক ছাত্রনেতা ও কক্সবাজার শহর জামায়াত ইসলামীর সাংগঠনিক সেক্রেটারি কামরুল হাসান, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ আজিজ প্রমুখ ।