প্রথমত, সমষ্টিগত হীনতাবোধের চেতনা। শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণ যখন শোনেন যে তাঁকে পরজীবী বলা হচ্ছে, তখন তিনি নিজেকে রাষ্ট্রের বোঝা হিসেবে ভাবতে শুরু করেন। তাঁর নাগরিক সম্মানবোধ আহত হয়।
দ্বিতীয়ত, এই অপমান থেকে জন্ম নেয় মিমভিত্তিক প্রতিরোধচর্চা। জেন-জি সরাসরি বিপ্লবের ভাষার বদলে ব্যঙ্গ, মিম ও আইরনির মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। মিম এখানে ক্ষমতার আতঙ্ক ভাঙার একটি কৌশল।
তৃতীয়ত, এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ডিজিটাল অস্তিত্ববাদ। বাস্তব জীবনে যখন তরুণের কোনো স্থায়ী অবস্থান থাকে না, তখন অনলাইন স্পেস তাঁর বিকল্প অস্তিত্ব হয়ে ওঠে। তিনি সেখানে পরিচয় তৈরি করেন, মতপ্রকাশ করেন এবং সামষ্টিকতা খুঁজে পান। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) সেই ডিজিটাল অস্তিত্বের রাজনৈতিক রূপ। নামটি নিজেই একটি উল্টো আক্রমণ। মানে রাষ্ট্র যখন অপমান করে, তরুণেরা সেই অপমানকে রাজনৈতিক পরিচয়ে রূপান্তর করেন।
ভারতের বর্তমান ক্ষমতাকাঠামো মূলত বুমার, জেন-এক্স ও মিলেনিয়াল রাজনৈতিক এলিট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু জেন-জি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতায় বড় হয়েছে।