হামে আক্রান্ত শিশুর সাধারণত নাকে পানি আর হালকা কাশি থাকতে পারে। একই সঙ্গে তার যদি শ্বাসকষ্ট হয়, তবে সতর্ক হতে হবে। মাকে খেয়াল করতে হবে যে—
শিশুর বুকের ওঠানামার গতি অন্য সময়ের তুলনায় বেশি বেশি মনে হচ্ছে কি না।
শ্বাস নেওয়ার সময় তার সামনের বুকের নিচের অংশ দেবে যাচ্ছে কি না।
সে কোঁকাচ্ছে কি না।
দুধ টানতে পারছে, না অস্থিরতা দেখাচ্ছে।
যদি তার আঙুলে সেট করা পালস অক্সিমিটারে (যদি থাকে) অক্সিজেনের মান ৯০-এর কম দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে শিশুটির নিউমোনিয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে অসুস্থ শিশুকে জরুরিভাবে হাসপাতালে নিতে হবে। চিকিৎসক অবস্থা বিচার–বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নেবেন। প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ দেবেন। হাম হলে শিশুর সঠিক পুষ্টির দিকে নজর দিতে হবে। বুকের দুধ বন্ধ করা যাবে না। অন্যদের থেকে আলাদা করে পরিচর্যা করতে হবে। পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ভিটামিন এ খাওয়াতে হবে।