দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের সর্বোচ্চ টুর্নামেন্ট সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুইবারের শিরোপা জয়ী বাংলাদেশ। এবার হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে লাল-সবুজের মেয়েরা। আগামী ২৫ মে ভারতে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের খেলা শেষ হবে ৭ জুন। হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়েই এবারের আসর শেষ করতে চান ঋতুপর্ণা চাকমারা। তবে মেয়েদের এই টুর্নামেন্টে নেই পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের ভেন্যু ভারতে হওয়ায় খেলবে না তারা। অন্যদিকে নারী সাফের ভেন্যু ও দিনক্ষণ ঠিক হলেও অনিশ্চয়তায় পড়েছে পুরুষ সাফ।
নারীদের টুর্নামেন্ট নিয়ে সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম ক্যাটেল বলেন, ‘পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন তাদের অংশগ্রহণের জন্য সময় চেয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের পর জানিয়েছে এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে না তারা। ফলে ৬ দেশ নিয়ে হবে আসন্ন সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। চলতি মাসের শেষ দিকে ৬ দলের ড্র অনুষ্ঠিত হবে।’ নেপাল ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন নিয়ে সেই দেশের সরকার ও ফিফার মধ্যে মতবিরোধ চলছে। সরকার ইতোমধ্যে নেপাল ফেডারেশনের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। ফিফা এ নিয়ে সতর্কতা দিয়েছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে নেপালকে তারা নিষিদ্ধও করতে পারে। এ নিয়ে সাফের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নেপালকে নিয়েই নারী সাফের ড্র পরিকল্পনা চলছে। তাদের রেফারিও ম্যাচ পরিচালনা করবে।’
টুর্নামেন্টে ছয় দল দুই গ্রুপে খেলবে। দুই গ্রুপে তিনটি করে দলের প্রত্যেকে দু’টি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল সেমিফাইনালে উঠবে। ড্রয়ের আগে নেপাল বহিষ্কার হলে তখন লটারির ড্র না করে রাউন্ড রবিন লিগে খেলা হতে পারে। আবার ড্রয়ের পরেও তারা নিষিদ্ধ হলে ওই পদ্ধতি অনুসরণ হতে পারে বলে জানান সাফের সাধারণ সম্পাদক। এদিকে ২০২৩ সালে ব্যাঙ্গালুরু সাফের পর এখনো মাঠে গড়ায়নি পুরুষ সাফ। গত বছর এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে যায়। চলতি বছর সেপ্টেম্বর ফিফা উইন্ডোতে করতে চাইলেও খানিকটা যদি-কিন্তু রয়েছে। ফলে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে পুরুষ সাফ আয়োজনে। এ নিয়ে পুরুষোত্তম বলেন, ‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ফিফা উইন্ডোতে আমরা পুরুষ সাফ আয়োজন করতে চাই। স্পন্সর নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। তা নিশ্চিত হলেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবো।’