ফুটবল মাঠে আমরা মাঝেমধ্যেই শুনি—নায়ক থেকে একনিমেষেই ভিলেন হয়ে গেলেন অমুক খেলোয়াড়। হয়তো ৮৯ মিনিট পর্যন্ত গোল করে দলকে জেতাচ্ছিলেন, শেষ মিনিটে পেনাল্টি দিয়ে বসলেন। কিন্তু ‘ভিলেন’ শব্দটা কি সব সময় এত হালকা? অ্যালেক্স ভিয়াপ্লেনের জীবনের গল্প শুনলে বুঝবেন, এই বিশেষণটা মাঝেমধ্যে কতটা ভয়ংকর আর বীভৎস হতে পারে।
একদিকে ১৯৩০ সালের ১৩ জুলাই—বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে ফ্রান্সকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক তরুণ। ৪-১ গোলের সেই জয়ে খেললেন দারুণ।
অন্যদিকে ১৯৪৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর—ফরাসি ইতিহাসের নিকৃষ্টতম বিশ্বাসঘাতক হিসেবে ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে সেই একই মানুষ। গুলি করে ঝাঁজরা করে দেওয়া হলো তাঁর বুক।
এই যে আকাশ থেকে পাতালে পতন, এর মাঝখানে লুকিয়ে আছে এক রক্তাক্ত ইতিহাস।