এমন সন্দেহের যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগকে এখন দায় চাপানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সরাসরি ক্রয়–পদ্ধতিতে অনিয়মের সুযোগ বেশি থাকে এবং যাঁরা এতে লাভবান হন, তাঁদের জন্য এই সংকটের দায় সংস্কারের ওপর চাপানোই সহজ।

প্রশ্ন উঠতেই পারে—সরকার কবে প্রথম টিকার ঘাটতির সতর্কবার্তা পেয়েছিল? যদি মজুত থাকত, তাহলে তা মাঠপর্যায়ে পৌঁছায়নি কেন?

নজরদারি তথ্যেও অসামঞ্জস্য রয়েছে। একদিকে ড্যাশবোর্ডে টিকার কাভারেজ কম দেখাচ্ছে, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ তথ্য বলছে, এটি ৯০ শতাংশের বেশি। এই গরমিল প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনার বড় ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।

এই বিতর্কের বাইরে সবচেয়ে বড় সংকট এখন হাসপাতালগুলোতে। শিশুদের অবস্থা খারাপ হলে অভিভাবকেরা আইসিইউ শয্যার জন্য দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

যখন কোনো ক্লিনিকে গিয়ে বলা হয়, টিকা নেই বা হাসপাতালে বেড নেই। তখন বোঝা যায় এই চাপ অনেক আগে থেকেই তৈরি হচ্ছিল, যা আমরা উপেক্ষা করেছি।

অথচ এখনো সমাধানের বদলে রুদ্ধদ্বার বৈঠক আর সীমিত তথ্য প্রকাশেই বিষয়টি আটকে আছে। মহামারির সময় ভুল তথ্য ও আতঙ্ক পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে। স্বচ্ছতার অভাবে জনগণের আস্থা সবার আগে নষ্ট হয়।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews