পত্রিকা: 'খলিলুরের নজিরবিহীন ছুটির পরিকল্পনা নিয়ে বিস্ময়'

ছবির ক্যাপশান,

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি নির্বাচিত হলে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে এক বছরের জন্য ছুটি নেবেন।

গত ১৩ মে জাতিসংঘে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সংলাপে অ্যান্ডোরার এক প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

ইউএনজিএ'র পূর্ণকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হলে তাকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে কি না— অ্যান্ডোরার প্রতিনিধির প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তার প্রধানমন্ত্রী এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে পূর্ণকালীন দায়িত্ব হিসেবে এই পদটি গ্রহণের জন্য তাকে এক বছরের রেহাই দেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তার এই ছুটির পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

তবে এই এক বছরের ছুটির প্রস্তাব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্মকর্তাকেই অবাক করেছে। কারণ, তারা এ ধরনের কোনো ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না।

তবে, বাংলাদেশ সরকারের কার্যবিধি বা 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রীকে ছুটি দেওয়ার এখতিয়ার আছে প্রধানমন্ত্রীর।

এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার দায়িত্বের শুরুর দিকের একটা বড় সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নির্বাচনী প্রচারের কাজে বিদেশে কাটিয়েছেন। বিষয়টি কূটনীতিক ও নীতি নির্ধারকদের মধ্যেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনীতির পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে আগামী পাঁচ বছরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে অন্তত ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিতে চায় সরকার।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ সফররত এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা আগামী পাঁচ বছরে মোট পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, বর্তমান ঋণ কর্মসূচির পরিবর্তে আইএমএফের সঙ্গে নতুন একটি তিন বছর মেয়াদি সংস্কারভিত্তিক ঋণ কর্মসূচিতে যাচ্ছে সরকার।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে সংস্থাটি থেকে পাঁচ থেকে ছয় বিলিয়ন ডলার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সমকাল

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এমন প্রত্যাশা ছিল শিল্পোদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

বিগত সময়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সেই ভঙ্গুর অবস্থার এখনো খুব একটা উন্নতি হয়নি।

এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবারের ঈদুল আজহাতেও। কোরবানির হাটগুলোতে পশুর যথেষ্ট সরবরাহ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, কোরবানির জন্য এ বছর এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার পশুর সরবরাহ রয়েছে। বিপরীতে চাহিদা রয়েছে এক কোটি এক লাখ পশু।

গত বছর একই রকম অবস্থার মধ্য দিয়ে যখন হয়েছিল, তখনও মানুষ কম কোরবানি করেছে। মাত্র ৯১ লাখ পশু কোরবানি হয়েছিল।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করতে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হলেও ঈদযাত্রায় যানজট পিছু ছাড়ছে না এই মহাসড়কে।

ঈদুল ফিতরের মতো এবার ঈদুল আজহার যাতায়াতেও যানজটের ভোগান্তিতে পড়ছেন উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রীরা।

গতকাল সোমবার দুপুরের পর থেকে মহাসড়কটির কড্ডা-চন্দ্রা এবং চন্দ্রা-নবীনগর অংশে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট দেখা দেয়।

আজ মঙ্গলবার গাজীপুর অঞ্চলের শিল্প-কারখানা ছুটি হলে ঘরমুখী মানুষের চাপে এ যানজট তীব্র আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কেবল যানজট নয়, ঈদযাত্রায় মহাসড়কটি হয়ে ওঠে দুর্ঘটনাপ্রবণও। গতকাল ভোরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রড বোঝাই ট্রাক উল্টে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান উন্নয়নকাজ ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে যানজটের অন্যতম কারণ। মহাসড়কটির আশপাশে গড়ে ওঠা হাটবাজার এবং নানামুখী বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনাও যানজট তৈরি করছে।

এছাড়া, বিদ্যমান যমুনা সেতুকে মহাসড়কটির যানজটের অন্যতম উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তারা।

বণিক বার্তা

প্রথম আলোর প্রথম পাতার সংবাদ— ট্রাফিক পুলিশের নামে জরিমানার ভুয়া বার্তা মানুষের মুঠোফোনে

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার সড়কে ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরায় মামলা শুরুর পর নতুন এক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

এআই ক্যামেরায় মামলা হয়েছে জানিয়ে জরিমানা পরিশোধ করতে মুঠোফোনে ভুয়া খুদে বার্তা পাঠাচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন এ ধরনের ভুয়া বার্তা পেয়েছেন।

তবে এমন কোনো বার্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঠানো হচ্ছে না দাবি করে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা।

এই বার্তার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হতে পারে জানিয়ে বার্তাটিতে পাঠানো লিংকে প্রবেশ না করতে সবাইকে অনুরোধ করেছেন তারা।

এজই ক্যামেরা বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে থাকা ডিএমপির সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট শারমিন আফরোজ এ ধরনের অভিযোগ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, ডিএমপি এখন পর্যন্ত মামলার তথ্য মোবাইলে পাঠাচ্ছে না। মামলার তথ্য এখন ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে।

প্রথম আলো

এতে বলা হচ্ছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সেভাবে স্বোচ্চার দেখা না গেলেও বিএনপি সরকার গঠনের পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে।

নির্বাচনের পরদিন থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জেলা-উপজেলায় দলীয় কার্যালয় খুলে দোয়া-মোনাজাত, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ব্যানার টানানো ও স্লোগান অব্যাহত রেখেছে। রাজধানীতেও একাধিকস্থানে মিছিল করার চেষ্টা করেছে দলটি।

বিরোধী পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, সরকারি দল বিএনপির ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগ মিছিল করার সাহস পাচ্ছে।

সরকার বলছে, কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগকে কার্যক্রম চালানোর সুযোগ দেয়া হবে না। আইনিভাবে তাদের মোকাবেলা করা হবে।

তবে ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে পালিয়ে থাকা অনেক নেতাই এলাকায় ফিরছেন বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনীতিতেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

নয়া দিগন্ত

এই খবরে বলা হচ্ছে, দল ও সরকারের বিরুদ্ধে চলমান নানা 'অপপ্রচার' প্রতিরোধ এবং সরকারের গত তিন মাসের উন্নয়ন বার্তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ঈদুল আজহার সময় মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দলের অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, ঈদের সময় বিপুলসংখ্যক মানুষ এলাকায় যায়। ফলে অনেক মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছানোর এটি বড় সুযোগ। এ কারণেই কেন্দ্রীয় নেতাদের এলাকামুখী হওয়াকে এবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

আজকের পত্রিকা

এই সংবাদে বলা হয়েছে, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী চামড়াশিল্পে যে বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ আবর্তিত হতো, তা এখন খাদের কিনারে।

তীব্র মূলধন সংকটের সঙ্গে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যসহ নানা কারণে এই খাত রক্ষায় ঈদের দুই দিন আগেও নেই কোনো হাঁকডাক।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও চামড়াশিল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির কাঁচা চামড়ার বাজারে চরম ধস নামার আশঙ্কার পেছনে মূলত পাঁচটি বড় কারণকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এগুলো হচ্ছে— তীব্র তারল্য ও ব্যাংক ঋণ সংকট, সাভার চামড়া শিল্পনগরীর (বিসিক) ব্যর্থতা, লবণ ও কেমিক্যালের দাম বেড়ে যাওয়া, মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অজ্ঞতা।

যদিও চামড়া খাতের সম্ভাব্য বিপর্যয় ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে এবারও নানামুখী তৎপরতা ও কঠোর অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের সব ডিসি, ইউএনও এবং পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে, যাতে কেউ চামড়া নিয়ে কারসাজি করতে না পারে। চামড়া পাচাররোধে বিজিবির নজরদারি জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।

যুগান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব ও পুলিশের যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। গত সোমবার রাত একটা থেকে দুইটার মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় ওই ক্যাম্পে পুলিশ, র‍্যাব, এপিবিএন ও আরআরএফ সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন।

তাদেরকে সেখানে আটকাতে এক্সকাভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে নির্মাণাধীন নতুন একটি অস্থায়ী ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য যেন ওই এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে এ জন্য তিনটি রাস্তা খুঁড়ে ফেলা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা এই হামলাকে সুপরিকল্পিত বলে মনে করছেন। ইয়াসিন বাহিনীর সদস্যরা এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

র‍্যাব-৭ এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর বলেছেন, হামলাকারীরা একে-৪৭ এর রাইফেলের মতো দেখতে অস্ত্র দিয়ে গুলি চালালে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা পাল্টা জবাব দেয়।

গুঁড়িয়ে দেওয়া ক্যাম্পটি উদ্বোধন করতে সেখানে আগামী ৩১শে মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যাওয়ার কথা ছিল। তার সফরের মাত্র কয়েকদিন আগে হামলার এ ঘটনা ঘটল।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Attacks on law enforcers spike, low morale blamed; অর্থাৎ মনোবল দৃঢ়তায় ঘাটতি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর হামলা বেড়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর সন্দেহভাজন অপরাধী ও দুষ্কৃতকারীদের হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

যার জন্য কেউ কেউ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বিভিন্ন বাহিনীর মনোবল কমে যাওয়াকেই দায়ী করছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলে এমন ঘটনা ঘটেছে ২১৩টি; যার মধ্যে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ৪২টি করে, মার্চে ৬৩টি এবং এপ্রিলে ৬৬টি।

এই ধরনের হামলায় আহত হওয়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যের প্রাণও গেছে।

গত বছর সারাদেশে পুলিশের ওপর হামলার ৬০১টি ঘটনা ঘটেছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর সাম্প্রতিক হামলা বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই পুলিশ নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে এবং এ কারণেই হামলার ঘটনা ঘটছে।

'পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়ানোর জন্য চেষ্টা চলছে এবং ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে'— যোগ করেন তিনি।

নিউ এইজ


Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews