বেসরকারি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের বেতন স্কেল ও গ্রেড পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। যেসব শিক্ষক ১১ গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করেছেন, তাদের এখন থেকে ১০ম গ্রেডে বেতন দেওয়া হবে।
সোমবার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখার সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে যেসব শিক্ষক সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে ১১ কোডে যোগদান ও এমপিওভুক্ত হয়েছেন, তাদের ১০ কোডে বেতন নির্ধারণের জন্য মেমিস সফটওয়্যারে ‘পুনঃনিয়োগ’ অপশনে আবেদন করতে হবে।
এর আগে গত ৯ জুন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়ার সই করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদের কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতন স্কেল সংশোধন করা হয়।
নতুন সংশোধিত পরিপত্র অনুযায়ী, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি, কৃষি অর্থনীতি, মৎস্য, পশুপালন, কৃষি প্রকৌশল, বনবিদ্যা, পরিবেশ বিজ্ঞান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা ডিভিএম বিষয়ের যেকোনো একটিসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকলে সরাসরি ১০ম গ্রেডে (১৬ হাজার-৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা) বেতন প্রাপ্য হবেন।
এছাড়া ন্যূনতম ৩ বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও ১০ম গ্রেড পাওয়া যাবে।
অন্যদিকে, উদ্ভিদবিদ্যা বা প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা শুরুতে ১১তম গ্রেডে (১২ হাজার ৫০০-৩০ হাজার ২৩০ টাকা) বেতন পেলেও পরে বিএড ডিগ্রি অর্জন সাপেক্ষে ১০ম গ্রেডের সুবিধা পাবেন। তবে সমগ্র শিক্ষা জীবনে একটির বেশি ৩য় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।
পরিপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, এই পদের জন্য সাধারণ বয়সসীমা অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হলেও সমপদের ইনডেক্সধারীদের জন্য বয়সসীমা শিথিলযোগ্য থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সংশোধিত এই নিয়মটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। আদেশের অনুলিপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অধিদপ্তর, ব্যানবেইস, এনটিআরসিএ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
এএইচ