এই জেলায় রাজনৈতিকভাবে কুমিল্লা–১১ (চৌদ্দগ্রাম) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের প্রার্থী, যিনি কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এবং দলের নীতিনির্ধারকদের অন্যতম। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন বিএনপির মো. কামরুল হুদা। অতীতে এই আসনে বিএনপি জয় পায়নি। জাতীয় পার্টির কাজী জাফর আহমদ, আওয়ামী লীগের মুজিবুল হক এবং জামায়াতের আবদুল্লাহ তাহের এই আসন থেকে বিভিন্ন সময়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এবার এখানে বিএনপি ও জামায়াত পৃথকভাবে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছে।
গত শনিবার চৌদ্দগ্রামের ৭টি ইউনিয়নের ১৪টি জায়গায় অন্তত ২৩ জনের সঙ্গে কথা হয়। তাঁদের মধ্যে ১০ জন দাঁড়িপাল্লা নিয়ে এবং ৭ জন ধানের শীষ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুজনসহ চারজন হাড্ডাহাডি লড়াইয়ে আভাস দিয়েছেন। দুজন এখনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি বলে জানান।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এবার ভোটের যে সাধারণ হিসাব, আঞ্চলিকতা, সংখ্যালঘু ভোট ও আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোট ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আবদুল্লাহ তাহের এ আসনের দক্ষিণের বাসিন্দা আর কামরুল হুদা উত্তর এলাকার। দুজনই আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোট টানার চেষ্টা করছেন। এ ক্ষেত্রে জামায়াত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতেও পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে। আর বিএনপি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হিসেবে আদর্শিক জায়গা থেকে ভোট চাইছে।