পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের ঝটিকা পদত্যাগের বিষয়টি পার্বত্য অঞ্চল ছাড়িয়ে সারা দেশে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
ঈদের দীর্ঘ সরকারি ছুটি শেষে দাপ্তরিক কাজ শুরুর প্রথম দিনের প্রথম প্রহরে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে পদত্যাগপত্র দাখিল এবং সঙ্গে সঙ্গে গ্রহণ ও দ্বিতীয় প্রহরে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই অস্বাভাবিক দ্রুতগতিই স্বাভাবিকভাবে বিষয়টি সর্বস্তরে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে।
মানুষের মনে প্রশ্নের উদ্রেক করেছে, মন্ত্রী আসলে কোন কারণে পদত্যাগ করেছেন? সত্যি কি স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ? স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ হলে আগেভাগে কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ হওয়ার কথা নয়। বাধ্য করা হলে কোন প্রক্রিয়ায় সেটি করা হয়েছে? প্রধানমন্ত্রীর কাছে মন্ত্রীর কর্মকাণ্ড সন্তোষজনক মনে না হলে পদত্যাগের ঘটনা ঘটতে পারে। অথবা মন্ত্রীর স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে অস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে পদ্ধতিগতভাবে স্বেচ্ছায় পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।