এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে নতুন জুরাইনের আলমবাগ এলাকা থেকে আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১০। তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই জহিরুল ইসলাম।
এদিন আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, এ আসামি নির্দোষ, নিরপরাধ। হয়রানি করার জন্য তাঁকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে হেয় করতেই ফাঁসানো হয়েছে। জামিন দিলে আসামি পলাতক হবে না।
বাদীপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিকে রবু মিয়া নামের আরেক আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তাঁর পক্ষে খান মো. ইব্রাহিম জামিন চেয়ে শুনানি করেন।