সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশে ফিরেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বিসিবি সভাপতি মেলবোর্নে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। গতকাল ঢাকায় ফিরেই মিরপুরে বিসিবি অফিসে যান। সেখানে ব্যস্ত সময় পার করেন পরিচালক ও স্টাফদের সঙ্গে। বিসিবি সভাপতি দেশে ফেরার আগে অবশ্য হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রধান নির্বাচক করে চার সদস্যের নির্বাচক প্যানেলের নিয়োগ দিয়েছে একটি বাছাই কমিটি। হাসিবুল হোসেন শান্ত অবশ্য আগে থেকেই নির্বাচক প্যানেলের সদস্য। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, দুই নির্বাচক নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরীকে ভাইভা দিয়ে নির্বাচিত করেছেন বিসিবির চার পরিচালকের কমিটি। প্যানেলের চার সদস্য ছিলেন সহসভাপতি ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, খান আবদুর রাজ্জাক ও নাজমুল আবেদিন ফাহিম। নতুন নির্বাচক প্যানেলের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজ। আন্তর্জাতিক সিরিজ ছাড়া নির্বাচকরা ব্যস্ত থাকবেন অভ্যন্তরীণ ক্রিকেট নিয়ে। এজন্য চার নির্বাচকের দায়িত্ব ভাগ করা হয়েছে জোন হিসেবে। প্রধান নির্বাচক বাশার ক্রিকেট খেলেছেন খুলনা বিভাগের পক্ষে। তিনি দেখাশোনা করবেন খুলনা ও বরিশাল বিভাগের। নাঈম ইসলামের দায়িত্ব উত্তরাঞ্চলের। তিনি দেখাশোনা করবেন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের। নাদিফ চৌধুরী দেখবেন মধ্য অঞ্চল বা ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের। হাসিবুল হোসেন শান্ত দেখাশোনা করবেন পূর্বাঞ্চলের। নির্বাচক প্যানেলের একটি বেতন কাঠামোয় আনা হয়েছে। বাশার প্রধান নির্বাচক হয়েছেন হাজি আশরাফ হোসেন লিপুর স্থলে। লিপুর বেতন ছিল ৩ লাখ টাকা। বাশারের বেতন ৪ লাখ টাকার মতো। বাকি তিন নির্বাচকের বেতন ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার ভিতর। করপোরেট কর্মকর্তাদের মতো নির্বাচক প্যানেলকে অফিস করতে হবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। তাদের জবাবদিহি করতে হবে ক্রিকেট অপারেশন্সের কাছে।