নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনে সশস্ত্র বাহিনী সংজ্ঞাভুক্ত থাকলে তিন বাহিনীকে নির্বাচনী দায়িত্ব দিতে আলাদা কোনো আদেশের দরকার হয় না। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও পুলিশের মতো ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারেন এবং বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পান।
এমনিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংঘর্ষ-সংঘাত তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রায়ই পুলিশ এসব সামাল দিতে পারে না। সামরিক বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচনে কারচুপি ও সহিংসতা কম হবে বলে জনমনে একটা বিশ্বাস আছে। ইসির সাম্প্রতিক বক্তব্যে তারই প্রতিফলন দেখা যায়।
বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে। এটি একটি বড় দল। দলটি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নাড়াচাড়া করলে প্রশাসনে অস্বস্তি বাড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দলের সমর্থকেরা খুবই তৎপর। কিছুদিন আগে তাঁরা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণা দিলে সরকার অতিপ্রতিক্রিয়া দেখায়। সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামানো হয়। তার মানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে তাঁরা সরকারকে কিছুটা আতঙ্কে ফেলতে পেরেছিলেন। যদিও আসলে তেমন কিছু হয়নি।