অবশ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি সূত্র বলছে, ব্যাটারিচালিত রিকশার বার্ষিক নিবন্ধন ফি বা কর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৫ হাজার, পৌরসভায় ২ হাজার এবং ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই করের হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ২ হাজার ৫০০, পৌরসভায় ১ হাজার এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। রাজধানীতে নীতিমালার মাধ্যমে এসব রিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় এনে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান রাজস্ব কর্মকর্তারা। এখন ঢাকায় এসব রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম থমকে আছে প্যাডেলচালিত রিকশাচালকদের মামলার কারণে। তারা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে নিবন্ধন না দেওয়ার জন্য এ মামলা করেছে।
ব্যাটারিচালিত রিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে গত বছর ‘বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’-এর খসড়া তৈরি করে সরকার। ওই খসড়ায় নিবন্ধন সনদ, হালনাগাদ ফিটনেস সনদ ও ট্যাক্স টোকেন নেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলারের ক্ষেত্রে এনবিআর নির্ধারিত হারে শুল্ক ও কর আদায়ের কথাও উল্লেখ রয়েছে।