দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও সেই সোনালী মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে আর্সেনাল। বুকায়ো সাকার একমাত্র গোলে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনাল নিশ্চিত করলো গানাররা। আজ ঘরের মাঠে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ইংলিশ জায়ান্টদের জয় ১-০ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানের জয়ে গতবারের সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ার ক্ষতে প্রলেপ দিলো লন্ডনের দলটি। এর আগে ২০০৬-এ একবারই ফাইনালে খেলে আর্সেনাল। সেবার বার্সেলোনার কাছে ২-১ গোলের হারে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের।
বিরতির ঠিক আগের মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্তটি। ভিক্টর ইয়োকেরেসের দৃষ্টিনন্দন নৈপুণ্যে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের নেয়া শট ফিরিয়ে দেন অ্যাটলেটিকো গোলকিপার ইয়ান ওবলাক। তবে ফিরতি বলে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল কাঁপান বুকায়ো সাকা। এমিরেটস স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে তখন উৎসবের জোয়ার। বিরতির পর জুলিয়ানো সিমিওনে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও গ্যাব্রিয়েল ও ডেক্লান রাইসের দুর্ভেদ্য রক্ষণে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায় আর্সেনাল।
ম্যাচে আর্তেতার সাহসী সিদ্ধান্ত ছিলো মিডফিল্ডে ১৯ বছর বয়সী মাইলেস লুইস-স্কেলিকে নামানো। দ্বিতীয়বারের মতো এই পজিশনে খেলতে নেমেও ডেক্লান রাইসের সঙ্গে মিলে মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখেন এই তরুণ তারকা। অন্যদিকে, রাইট ব্যাক পজিশনে বেন হোয়াইটকে দেখা যায় তার সেরা ছন্দে। ইয়োকেরেস নিজে গোল না পেলেও পুরো ম্যাচজুড়ে অ্যাটলেটিকো ডিফেন্ডারদের তটস্থ রাখেন।
২২ বছরের প্রিমিয়ার লীগ শিরোপার খরা কাটানোর খুব কাছে আর্সেনাল। মিকেল আর্তেতার দল এখন এখন ‘ইউরোপিয়ান ডাবল’-এর স্বপ্নে বিভোর। চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ও প্রিমিয়ার লীগ—দু’টি শিরোপাই এখন আর্তেতার হাতের নাগালে। আগামী ৩০শে মে বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে নামবে ইংলিশ জায়ান্টরা। প্রতিপক্ষ, আগামীকাল হতে যাওয়া বায়ার্ন মিউনিখ ও প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দল। প্রথম লেগে ৫-৪ গোলে এগিয়ে প্যারিসিয়ানরা।