ফুটবলে বাংলাদেশ সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর একটি। বিশ্বের ২১১টি দেশের মধ্যে ১৮১তম। সান্ত্বনা এতটুকুই ৩০টি দেশ আমাদের চেয়েও পিছিয়ে। যার মধ্যে ২৫ কোটি লোকের দেশ পাকিস্তান অন্যতম। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে বাংলাদেশের চেয়েও এখন এগিয়ে মালদ্বীপ। অথচ সে দেশটির জনসংখ্যা রাজধানী ঢাকা মহানগরীর দুই শতাংশেরও কম। একসময় আবাহনীর কাছেও মালদ্বীপ ৭-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ ভারত। জনসংখ্যায় যারা চীনকেও অতিক্রম করে এখন বিশ্বসেরা। কিন্তু ফুটবলে ভারতও পেছনের কাতারে। তাদের স্থান ১৩৬তম। ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের অবস্থান ২০২তম।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ৪৮টি দেশ অংশ নিয়েছে। যদি ১০০টি দেশের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকত তারপরও সার্কভুক্ত কোনো দেশ হয়তো ঠাঁই পেত না। ১৯৫০ সালে বিশ্বের ১৪টি দেশ ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এশিয়ার মধ্যে একমাত্র ভারত পেয়েছিল সেই বিরল সুযোগ। কিন্তু ভারতীয় দল সে বিশ্বকাপে যোগ দেয়নি। কারণ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ফুটবল খেলা হতো খালি পায়ে। ভারতীয় খেলোয়াড়রা বুট পায়ে ফুটবল খেলতে অভ্যস্ত ছিল না। এর দুই বছর আগে ১৯৪৮ সালের অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দল অংশ নেয়। খালি পায়েই তারা খেলার সুযোগ পায়।

ফুটবলে পিছিয়ে পড়া দেশ হলেও একদিক দিয়ে বাংলাদেশের জুড়ি নেই। বিশ্বকাপ শুরু না হতেই এ দেশের জনগোষ্ঠীর একাংশ মাতোয়ারা হয়ে ওঠে তাদের পছন্দের দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে নিয়ে। বাড়িতে কখনো বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানোর গরজ দেখান না যারা, তাদের মধ্যেও প্রতিযোগিতা শুরু হয় কে কত বড় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা ওড়াতে পারেন। জার্মানির বিশাল আকারের পতাকা বানিয়ে রেকর্ড করার কসরতও করেছেন এ বছর একজন বাংলাদেশি সমর্থক। ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, মরক্কো, ইরান, তুরস্ক, সৌদি আরব, জাপান, সেনেগালসহ আরও কিছু দেশকে নিয়েও মাতামাতি চলে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।

দুই.

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কখনো খেলবে, এ মুহূর্তে স্বপ্নেও ভাবা কঠিন। তবে এটিকে অসম্ভব ভাবার সুযোগ নেই। সবার জানা, ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া দেশ। ২০২৩ সালে সেই বাংলাদেশই বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়। আমেরিকার তল্পিবাহক ইউনূসের মেটিকুলাসে ১৮ মাসেই বাংলাদেশ দুই ধাপ পিছিয়েছে। আমাদের অবস্থান এখন ৩৭তম। পাকিস্তানের অবস্থান ৪৬তম। বাংলাদেশ একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ। ক্রিকেটে পাকিস্তান ছিল শক্তিমান দেশ। তবে ক্রিকেট দলে বাঙালিদের স্থান পাওয়া ছিল ভাগ্যের ব্যাপার। কখনো কখনো স্থান পেলেও বল বা ব্যাট হাতে জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা ছিল প্রায় অসম্ভব। তবে বাংলাদেশ এখন ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাবান টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে। পরপর দুটি টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব দেখিয়েছে বাংলাদেশ। খোদ পাকিস্তানে গিয়ে স্বাগতিক দলকে হোয়াইটওয়াশ করেছে টাইগাররা। ফলে ফুটবলে বাংলাদেশ চিরকাল পিছিয়ে থাকবে বলার অবকাশ নেই। এজন্য থাকতে হবে নিরন্তর প্রচেষ্টা। প্রাইমারি স্কুল থেকেই ফুটবলের চর্চা থাকতে হবে। স্কুল ও কলেজভিত্তিক দল গঠনে দিতে হবে নজর। এটি সম্ভব হলে বাংলাদেশও একদিন হয়তো ফুটবলেও মর্যাদাবান অবস্থানে যেতে সক্ষম হবে।

বিশ্ব ফুটবলের মোড়ল ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন ১ নম্বরে ফ্রান্স, তারপর আর্জেন্টিনা, স্পেন ও ইংল্যান্ড। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম প্রিয় দল ব্রাজিলের অবস্থান ৬ নম্বরে। ব্রাজিল তার উদ্বোধনী খেলায় মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে। মরক্কো ফিফার র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮ নম্বর দল। কাতার বিশ্বকাপে তারা সেমিফাইনালে খেলেছে। ব্রাজিল ছিল সেরা ৪-এর বাইরে।

বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের মানুষ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যা অনেকটা উন্মাদনার রূপ নেয়। ফুটবলে আমি লাতিন আমেরিকার সমর্থক। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, পেরুসহ সব লাতিন দলের ছন্দময় খেলার ভক্ত। ইউরোপীয় খেলায় সে ছন্দ খুঁজে পাওয়া যায় না।

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতিদেশ হিসেবে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের প্রতিও আমার রয়েছে দুর্বলতা। কিশোর ও যুব বয়সে বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় চে গুয়েভারা হয়ে উঠেছিলেন আমাদের স্বপ্ন পুরুষ। চে’র জন্ম আর্জেন্টিনায়। কিউবা বিপ্লবে ফিদেল কাস্ত্রোর ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন তিনি। সে দেশের অর্থমন্ত্রীও হন। কিন্তু চে গুয়েভারা ছিলেন বিশ্ব বিপ্লবী। মন্ত্রিত্ব বা ক্ষমতা ছেড়ে তিনি দুনিয়ার অন্যান্য দেশের মুক্তির লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বলিভিয়ায় প্রাণ হারান মার্কিন তাঁবেদার সরকারি বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে। সেই সত্তর দশকে আমাদের বন্ধু ছড়াকার ফারুক নওয়াজ লিখেছিলেন- ‘খুলনা আমার বুয়েন্স আয়ার চে গুয়েদের দেশ/আমরা খেলি হালুম হালুম কুমির কুমির বেশ/ আগুন খেলি আমরা করি আগুন আগুন চাষ/ সেই আগুনে বিনাশ করি ফ্যাসিবাদের লাশ।’ ফলে ফুটবলের রাজপুত্র ম্যারাডোনা বা মেসিকে চেনার বহু আগেই আর্জেন্টিনা নামটি লেখা হয়েছিল হৃদয়ের গভীরে। তবে সে দেশের শাসকদের প্রতি প্রীতিবোধ জন্মেনি কখনো।

১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে জয় পায়। চে গুয়েভারার দেশে সে সময় ক্ষমতায় ছিল সামরিক সরকার। জেনারেল ভিদেলার সে অবৈধ সরকার নিজেদের ক্ষমতা জায়েজ করতে জালিয়াতি করে বিশ্বকাপ জয়ের নীলনকশা আঁটে। ওই বছর বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল আর্জেন্টিনা। সে সময় খেলা হতো রাউন্ড রবিন লিগ ফরম্যাটে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ছিল একই গ্রুপে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে দুই দলের ভাগ্য নির্ধারিত হওয়ার কথা। ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ পোল্যান্ডের সঙ্গে। পক্ষান্তরে আর্জেন্টিনার শেষ খেলা পেরুর বিরুদ্ধে। আর্জেন্টিনার স্বৈরশাসক জেনারেল ভিদেলা পেরুর সামরিক শাসক জেনারেল ফ্রান্সিসকো বারমুদুজের সঙ্গে খেলার জয়-পরাজয় নিয়ে গোপন সমঝোতায় উপনীত হন। পেরুর সামরিক শাসক আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতাতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। জেনারেল ভিদেলার কালো হাতের থাবায় বিশ্বকাপের শিডিউল বদল হয়। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার খেলা একই সময় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। অসৎ উদ্দেশ্যে ব্রাজিলের সঙ্গে পোল্যান্ডের খেলা তিন ঘণ্টা আগে অনুষ্ঠিত হয়। সে খেলায় ব্রাজিল ৩-১ গোলের ব্যবধানে জয়ী হয়। এর ফলে আর্জেন্টিনার জন্য দরকার ছিল ৫ গোলের ব্যবধানে জয়ী হওয়া। আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতাতে পেরু ৬-০ গোলে হার মানে। ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, পেরুর সিনেটর জেনারো লেডেমমা পরবর্তী সময়ে বুয়েন্স আয়ারের আদালতে নিশ্চিত করেন আর্জেন্টিনার ম্যাচটি ছিল দুই দেশের সেনাপতি শাসকের পাতানো।

ব্রাজিলের মহান ফুটবলার পেলের প্রতি আমার ভালোবাসা গড়ে ওঠে বালক বয়সেই। স্কুলের সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে ফুটবলের রাজা হিসেবে পড়েছি পেলের নাম। যাঁর জন্ম ব্রাজিলে। ফুটবলের রাজা পেলে ছাড়াও ব্রাজিলের প্রতি অন্যরকম আগ্রহ গড়ে ওঠে সে দেশের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার কারণে। লুলা দা সিলভা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে সে দেশ ছিল প্রায় দেউলিয়া অবস্থায়। এই বাম নেতার নেতৃত্বে ব্রাজিল লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হয়। একেবারে গরিব ঘরের সন্তান লুলা দা সিলভা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। ছোটবেলায় জুতা পালিশ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তারপর কারখানায় কাজ করতে গিয়ে হাতের তিনটে আঙুল কাটা পড়ে মেশিনে। একপর্যায়ে শ্রমিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন তিনি। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়া লুলা যে যোগ্যতা দেখিয়েছেন, তা আমাদের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের একেবারে বিপরীত। লুলা ব্রাজিলকে দেউলিয়া অবস্থা থেকে বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেছেন আর ইউনূস রূপকথার ভূতের মতো পেছনে হাঁটাকে কর্তব্য বলে ভেবেছেন। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়েছেন ভারত আমেরিকা জোটের কাছে।

বাংলাদেশের অধিকাংশ ফুটবলপ্রেমী দলমত-ধর্মবর্ণনির্বিশেষে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থক। এবার কোথাও কোথাও এ সমর্থনকে রাজনীতিকরণের প্রয়াস চলেছে। আর্জেন্টিনা নামের আদ্যাক্ষর যেহেতু ইংরেজি এ; এটিকে সম্বল করে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা ম্যারাডোনা ও মেসির দেশের পক্ষ নিয়েছে। একইভাবে ব্রাজিলের আদ্যাক্ষর যেহেতু ‘বি’; সেহেতু বিএনপি সমর্থকদের কেউ কেউ ব্রাজিলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে। ফুটবল নিয়ে এমন সমীকরণ কোনোভাবেই বাঞ্ছনীয় নয়।

ফুটবলের রাজা পেলে, যুবরাজ ম্যারাডোনা, রোনালদো ও মেসির বাইরে আমার সবচেয়ে প্রিয় ফুটবলার আফ্রিকার ক্যামেরুনের রজার মিলা। আশি থেকে নব্বই দশক পর্যন্ত তিনি ক্যামেরুনের জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেন। দুই বছর পর লস এঞ্জেলসে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকে ক্যামেরুন ফুটবল দলের হয়ে খেলেন। ১৯৮৭ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন।

১৯৯০ সালে ক্যামেরুনের রাষ্ট্রপতি পল বিয়া রজার মিলাকে ফোন করেন। তাঁকে দেশের হয়ে সে বছর অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানান। একজন ফুটবলারের অবসর নেওয়ার তিন বছর পর জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া অকল্পনীয় বিষয়। কিন্তু রজার মিলা বলে কথা। তিনি অদম্য সিংহ বলে বিবেচিত ক্যামেরুনের হয়ে ১৯৯০-এর বিশ্বকাপে অংশ নেন। চারটি গোলও করেন। রজার মিলার কারণে ক্যামেরুন সেমিফাইনালে যাওয়ারও কৃতিত্ব দেখায়। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ৩৫ গজ দূর থেকে তিনি যে দ্বিতীয় গোলটি করেন, তা ফুটবলের ইতিহাসে এক বিস্ময়কর ঘটনা। ২০১০ সালের বিশ্বকাপে কোকাকোলার বিজ্ঞাপনচিত্রেও সেটি স্থান পেয়েছে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপেও অংশ নেন রজার মিলা। পরপর দুটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ গোলদাতা ও খেলোয়াড়ের মর্যাদায় ভূষিত হন তিনি।

পাদটীকা : ১৯৭০ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হয় নবম বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। এতে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো শিরোপা অর্জন করে ব্রাজিল। স্থায়ীভাবে বিশ্ব ফুটবলের জুলে রিমে ট্রফির মালিকও বনে যায় তারা। ফুটবলের রাজা পেলে ওই বিশ্বকাপে অসামান্য কৃতিত্ব দেখান। ইতালির বিরুদ্ধে প্রথম গোলটি করেন তিনি। পরপর তিন বিশ্বকাপে খেলার যে কৃতিত্ব পেলে দেখান, তা এখনো অনন্য নজির হিসেবে বিবেচিত।

১৯৭০-এর বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে এল সালভাদরের মুখোমুখি হয় হন্ডুরাস। সেই ফুটবল ম্যাচের কয়েক মাস আগে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। যার প্রভাব পড়ে ফুটবল ম্যাচের ওপরও। যোগ্যতা অর্জনের ফুটবল ম্যাচের আগের রাতে সালভাদরের ফুটবলারদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে হোটেলে ক্রমাগত ইটপাটকেল মারেন হন্ডুরাস সমর্থকরা।  উদ্দেশ্য খেলোয়াড়দের মনোবল নষ্ট করা। কিন্তু পরের দিনের ম্যাচে হেরে যায় সালভাদর। সে শোক সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন এক সমর্থক। এর বদলা নিতে হন্ডুরাসে হামলা চালায় সালভাদরের সেনাবাহিনী। ১০০ ঘণ্টার সে যুদ্ধে প্রাণ হারায় ৬ হাজার মানুষ। ইতিহাসে যা ফুটবল যুদ্ধ নামে পরিচিত। কাণ্ডজ্ঞানহীনতা হয়তো একেই বলে!

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

 ইমেইল : [email protected]



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews