হিজবুল্লাহর অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত একটি কথিত সংগঠনের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে লেবাননের এই সংগঠনটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি), বিশেষ করে কুদস ফোর্সের ঘনিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, হিজবুল্লাহকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করার বিবরণে এখন বলা হবে, সংগঠনটি ‘ইরানি শাসনের স্বার্থে, ইরানের আইআরজিসির কমান্ডে’ কাজ করে।
যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হিজবুল্লাহকে ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। ২০০১ সালে সংগঠনটিকে ‘বিশেষভাবে চিহ্নিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ হিসেবেও ঘোষণা করা হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে ইরানের একটি প্রক্সি সংগঠন হিসেবে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর আগে সংগঠনটিকে তুলনামূলকভাবে স্বাধীনভাবে পরিচালিত একটি সংগঠন হিসেবে বোঝার সুযোগ ছিল।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, হিজবুল্লাহ লেবাননের সার্বভৌমত্ব, জনগণ ও রাষ্ট্রের প্রতি খুব কমই গুরুত্ব দেয় বা কোনো গুরুত্বই দেয় না।
নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ১০ জনকে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর কাছে অর্থ স্থানান্তরের একটি নেটওয়ার্কে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের দাবি, এই নেটওয়ার্কের সদস্যরা লেবানন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্যিক বিমানে যাতায়াতকারী কুরিয়ারদের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ স্থানান্তর করেন।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাব তেলের বাজারে

সংগঠনটি বিভিন্ন দেশের মধ্যে শত শত মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অর্থ সরিয়ে থাকে বলে অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। এর মাধ্যমে হিজবুল্লাহ প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থেকে বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে চলার সুযোগ পায় বলে দাবি করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য ডন