পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যশোর ও খুলনার সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, পুশইন এবং কোরবানির পশুর চামড়া পাচার প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ঈদ-পরবর্তী সময়ে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার সকালে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এবং খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান এ তথ্য জানান।
অধিনায়কদ্বয় বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে বিপুল পরিমাণ পশু কোরবানি হয়। কোরবানির পর পশুর চামড়া যাতে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার হতে না পারে, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
তারা জানান, স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সীমান্তে পুশইন, চামড়া পাচার, মাদক ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক ও সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিজিবির কর্মকর্তারা আরও জানান, সীমান্তের সব ধরনের অপরাধ দমনে টহলব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে যশোরের শার্শা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা অতিরিক্ত নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শার্শা উপজেলার প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, বেনাপোলের পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি সীমান্তকে চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ পথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
চামড়া ব্যবসায়ীদের আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন যশোর ৪৯ বিজিবি ও খুলনা ২১ বিজিবির অধিনায়কেরা।
বিডি-প্রতিদিন/এআইএস