পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, একদল স্বাধীনতা স্বাধীনতা করলেও তারা স্বাধীনতা ঘোষণাও করেনি, স্বাধীনতা চায়ওনি। আরেকটি দল স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। ঠিক সেই মুহূর্তে আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। নিজে সশস্ত্র লড়াই এই অংশ নিয়েছেন। স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে তার নেতৃত্বে দেশ অনেক পরিবর্তন হয়েছে।
বিএনপির এ ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৮০ সালের ৩০ মে সফল রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানকে নৃশংসভাবে শহীদ করা হয়। এরপর তার আদর্শকে ধারণ করে বেগম খালেদা জিয়া এগিয়ে আসেন। তিনিও দেশ গড়ায় অংশ নেন। দীর্ঘ সময় পর সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আবারো বিএনপির পক্ষে রায় দিয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আবারো উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
বারবার প্রমাণ হয়েছে এদেশ, স্বাধীনতা ও উন্নয়ন কেবল বিএনপির হাতে নিরাপদ।
শনিবার দুপুরে জেলার দাগনভূঞা উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা সভাপতি মো: আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে ও পৌর বিএনপি'র সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির বাবুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক এম এ খালেক, গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক, যুবদল নেতা নাছির উদ্দীন খোন্দকার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কবির আহমদ ডিপলু, সদস্য সচিব মনছুর উদ্দিন ভূঞা, ছাত্রদল সভাপতি সাইমুন হক রাজীব, সাবেক ছাত্রদল নেতা নিজাম উদ্দীন ভূঁইয়া হুদন প্রমুখ।
সভা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা এনায়েতুর রহমান।
পরিবেশ মন্ত্রী মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে বলেন, এর জন্য অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষক, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের সমন্বিত দায়িত্ব রয়েছে। সবাই মিলে মিশে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এক্ষেত্রে বিএনপি নেতাকর্মীদের দায়িত্ব সবার চেয়ে বেশি। আমরা যেহেতু সরকারে রয়েছি, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের অগ্রনী ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি নিজেদের মধ্যে সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, বড় দল হিসেবে প্রতিযোগীতা থাকতে পারে। তা যেন শত্রুতায় রুপ না নেয়।
সভাপতির বক্তব্যে মো: আকবর হোসেন বলেন, ৫ আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর অনেক ছাত্রলীগ-যুবলীগ সরকারি দলের নেতাকর্মীদের সাথে মিশে নানা অপকর্মে লিপ্ত। তা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
পরে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও পৌর শহরের দুস্থ অসহায়দের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়।