রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নির্বাচনের আগেই গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়েছে, যা রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।
তিনি জানান, নতুন সরকারের জন্য বেকারত্ব ও রমজানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী যোগান থাকলে মূল্যস্ফীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তার ভাষ্য, কোনো পণ্যের ঘাটতি তৈরি না হলে জনগণ স্বস্তিদায়ক রমজান কাটাতে পারবে।
এদিকে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানিয়েছে, রমজান মাসে ট্রাকসেলের মাধ্যমে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তার কাছে পণ্য সরবরাহ করা হবে। সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি ছাড়াও ছোলা ও খেজুর বিক্রি করা হবে ভর্তুকি মূল্যে, যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপণ্য থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা গেছে, বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকায় পণ্য খালাস ও পরিবহনে কোনো বাধা নেই। আমদানিকারকরা মজুদ পণ্য সঠিকভাবে বাজারে সরবরাহ করলে সংকটের আশঙ্কা নেই বলেও উল্লেখ করেন মুখপাত্র।
সব মিলিয়ে রমজানকে সামনে রেখে সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।