আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রোববার (২ অগাস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক হাসপাতালে নেপালের সহায়তায় আয়োজিত চার দিনব্যাপী এক বিশেষ চক্ষু শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু শিবির। দুপুরে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্য সেবা হাসপাতালে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল কাজ শুরু হবে এবং আগামী বছর থেকেই শুরু হবে শিক্ষার্থী ভর্তি।
“মির্জা ফখরুল বলেন আমাদের এই অঞ্চলের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র হওয়ায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হয় না। সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।”
নেপাল সরকারের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই ক্যাম্পে চিকিৎসা দিতে এসেছেন ১২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি নেপালি দল, যার নেতৃত্বে রয়েছেন প্রফেসর ড. চেট রাজ পাট। আয়োজকরা জানান, ক্যাম্পের জন্য ইতোমধ্যে ৬ হাজার রোগী নাম নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে অন্তত ৩ হাজার রোগীকে সরাসরি চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন সেবা দেওয়া হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতিক কার্কি। এছাড়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি উপজেলায় এমন চক্ষু শিবিরের পরিধি বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।