দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্সের এক মন্তব্যকে ঘিরে ক্রিকেটাঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি তিনি দাবি করেন, বিদেশের বাউন্স-সহায়ক উইকেটে ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে বিরাট কোহলি কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের চেয়েও এগিয়ে। তবে ডি ভিলিয়ার্সের এই মন্তব্যের সঙ্গে একমত নন ভারতের সাবেক পেসার দোদ্দা গণেশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি কটাক্ষ করে লিখেছেন, ভাই, ওই গাঁজাটা একটু আমাকেও দাও।
এক সাক্ষাৎকারে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে বিদেশের কঠিন কন্ডিশনে সফল হওয়ার পথ প্রথম দেখিয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। তবে সেই মানদণ্ডকে আরও উঁচুতে নিয়ে গেছেন বিরাট কোহলি।
ডি ভিলিয়ার্সের ভাষায়, শচীন টেন্ডুলকারই প্রথম দেখিয়েছিলেন যে উপমহাদেশের একজন ব্যাটারও বাউন্স ও সুইং-সহায়ক কন্ডিশনে সফল হতে পারে। কিন্তু বিরাট কোহলি সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে গেছে এবং মানদণ্ড আরও উঁচু করেছে।
তবে এই মূল্যায়ন মেনে নিতে পারেননি দোদ্দা গণেশ। ডি ভিলিয়ার্সের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এক্সে তিনি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন, যা দ্রুতই ক্রিকেটভক্তদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
এদিকে ডি ভিলিয়ার্স মনে করেন, শচীন ও কোহলির বিদেশের মাটিতে সাফল্য বর্তমান ভারতীয় ব্যাটারদেরও অনুপ্রাণিত করছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেএল রাহুল ও দেবদত্ত পাডিক্কালের নাম উল্লেখ করেন।
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, বিরাট ও শচীনের পথ অনুসরণ করে এখন কেএল রাহুল, দেবদত্ত পাডিক্কালের মতো ক্রিকেটাররাও বিদেশের কন্ডিশনে নিজেদের আরও উন্নত করার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ইংলিশ অলরাউন্ডার

কেএল রাহুল সম্পর্কে তিনি বলেন, ভারতীয় ব্যাটারের টেকনিক খুবই ভালো হলেও বিদেশের মাটিতে তার পারফরম্যান্সে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। ডি ভিলিয়ার্সের মতে, রাহুলকে বড় ইনিংসগুলো আরও বড় করতে হবে।
তিনি বলেন, রাহুলের টেকনিক দারুণ এবং সে ভারতীয় দলের বড় সম্পদ। কিন্তু বিদেশে তার গড় মাত্র ৩৪। তাই তার কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা থাকে। শতক করার পর সেটিকে ১৫০ বা ১৮০ রানে নিয়ে যেতে হবে। কারণ নতুন বলের বিপক্ষে দ্রুত আউট হওয়ার ঝুঁকি সবসময়ই থাকে। তাই বড় ইনিংসকে আরও বড় করাই তার মূল চ্যালেঞ্জ।