সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপিওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে এ কর্মবিরতি চলছে। গত শনিবার থেকে তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালনের পর মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনকারীরা লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন। এতে বন্দর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল বিকেলে বন্দর ভবনে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর দুই দিন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর।
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাবে দেশের মোট রপ্তানির ৯১ শতাংশই হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। অথচ পাঁচ দিন ধরে বন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হলেও অচলাবস্থা নিরসনে সরকারের কোনো সংস্থার দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। গতকাল আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা। তাঁর কাছে চার দফা দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। দুই দিনের মধ্যে দাবি বাস্তবায়িত না হলে আবার কর্মবিরতির হুমকি দিয়েছেন তাঁরা।
কনটেইনার ডিপো সমিতির হিসাবে, আন্দোলন শুরুর আগে ১৯টি বেসরকারি ডিপোতে রপ্তানির অপেক্ষায় ছিল প্রায় আট হাজার একক কনটেইনার। গতকাল বিকেলে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আগপর্যন্ত সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় সাড়ে ১১ হাজারে।
জানতে চাইলে বেসরকারি কনটেইনার ডিপো সমিতির মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার প্রথম আলোকে বলেন, কর্মসূচি স্থগিতের পর বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে রপ্তানি কনটেইনার বন্দরে নেওয়া শুরু হয়। নতুন করে কর্মবিরতি না হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কয়েক দিন সময় লাগবে।