তুচ্ছ ঘটনায় রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল দুপুরে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ দিন আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাইট দেওয়া নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের ভাই আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের তর্কবিতর্ক ও ঝগড়া হয়। ওই ঘটনায় বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে স্থানীয়রা গতকাল এ নিয়ে বরুনা এলাকায় বিচার সালিশের আয়োজন করেন। বিচার সালিশে আমিন হোসেনের পক্ষ হয়ে তার ভাই রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম উপস্থিত হন। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন খাঁ তার লোকজন নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। বিচার চলাকালীন সময়ে উভয় পক্ষের লোকজন তর্কবিতর্ক ও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। হামলাকারীরা এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। শুধু তাই নয়, হামলাকারীরা এক পক্ষ আরেক পক্ষকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ছোটাছুটি করতে থাকে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। তাদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানার এক দল পুলিশ সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।