চাঁদে নামানো একটি ল্যান্ডার নতুন তথ্য দিয়েছে যা বিজ্ঞানীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মিশনের একেবারে শেষ সময়ে এই কাজটি করা হয়। ঘুমিয়ে পড়ার আগে ল্যান্ডারটি একবার ছোট লাফ দেয়।
নির্দেশ পাওয়ার পর ল্যান্ডারের ইঞ্জিন চালু করা হয়। এরপর সেটি চাঁদের মাটি থেকে একটু ওপরে ওঠে। ল্যান্ডারটি প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে উঠে যায়। তারপর আবার মাটিতে নামে।
নামার সময় আগের জায়গা থেকে ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার দূরে গিয়ে নামে। এই ছোট লাফ থেকেই অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ দিকের মাটি সম্পর্কে।
বিজ্ঞানীরা চাঁদের ধুলা ও পাথরের আচরণ দেখেছেন। ইঞ্জিনের ধাক্কায় মাটি কীভাবে নড়ে, তা বোঝা গেছে। ল্যান্ডারের একটি যন্ত্র মাটির তাপমাত্রা মেপেছে। মাটির উপরের অংশের তাপ আলাদা। ভেতরের অংশের তাপও আলাদা। গবেষণায় দেখা গেছে, মাটির প্রথম ১০ সেন্টিমিটার অংশ এক রকম নয়।
এর মধ্যে ৬ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার জায়গায় দুইটি আলাদা স্তর আছে। উপরের স্তরে তাপ সহজে যায়। নিচের স্তরে তাপ যেতে সময় লাগে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাঁদের মাটির অল্প গভীর জায়গাতেও বড় পার্থক্য থাকতে পারে।
এই পরীক্ষায় আরও জানা গেছে, ল্যান্ডারের ইঞ্জিনের তাপে ধুলা কীভাবে ছড়ায়। ভবিষ্যতে চাঁদে আবার যন্ত্র পাঠানো হবে। নমুনা সংগ্রহ করা হবে। মানুষ থাকার জায়গাও বানানো হতে পারে।সে কাজে এই তথ্য খুব কাজে লাগবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে