জাহেদুল ইসলামের এই পোস্টের পর এনসিপি ও যুবশক্তির অন্তত চারজন নেতার সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁরা জানিয়েছেন, গত রোববার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ তিনটি দল-সংগঠনের ৪৪ জন নেতা-কর্মী এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরিচিত মুখদের কয়েকজনও আছেন। এনসিপি তাঁদের ‘অ্যাকোমোডেট’ (স্থান করে দেওয়া) করার চেষ্টা করছে। এরই অংশ হিসেবে জাহেদুলকে সরে যেতে হয়েছে।
গত বছরের মে মাসে যুবশক্তির আত্মপ্রকাশ ঘটে। এর প্রথম কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পান দন্ত চিকিৎসক জাহেদুল ইসলাম। প্রায় এক বছর বয়সী যুবশক্তির একটি সাধারণ সভা হয় সোমবার রাতে। এই সভার পরই জাহেদুল ফেসবুকে পোস্টটি দেন বলে জানান সংগঠনের একজন দায়িত্বশীল নেতা। এই নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ‘মূলত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে রোববার এনসিপিতে যোগ দেওয়া একজন নেতাকে যুবশক্তির সদস্যসচিব করতে চাইছেন দলের নীতিনির্ধারকেরা। পদ থেকে সরে গিয়ে অন্য কোনো দায়িত্ব নিতে জাহেদুলকে নানাভাবে চাপও দেওয়া হয়েছে।’