সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বশেষ বয়সসীমা নিয়ে সংসদে আলোচনার দিন সেখানে মব সৃষ্টি করা হয়েছে বলে দাবি করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার কিছু লোককে জুলাই যোদ্ধা পরিচয়ে দর্শক গ্যালারিতে বসিয়েছিল। আলোচনার এজেন্ডা যখন আসল, তখন সরকারি দল থেকে তাদের ইশারা দেওয়া হলো। বোঝা গেল, এটা পাতানো। এর আগে কয়েকটা বিল পাস হয়েছে, যার কাগজপত্র বিরোধী দলকে দেওয়া হয়নি। তারা বিরোধী দলকে অন্ধকারে রেখে ব্ল্যাকমেইলিং করতে চেয়েছিল, তবে বিরোধী দল তাদের পাতা ফাঁদে পা দেয়নি।
জামায়াতের আমির আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যেসব সংশোধনের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, সেই জায়গাগুলোই বিএনপি এখন রেখে দিতে চায়। এর মাধ্যমে বিএনপি আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। সেটি হতে দেওয়া হবে না।
যত দিন সংসদের ভেতরে লড়াই করতে পারবেন, তত দিন থাকবেন; এর বাইরে এক মিনিটও সংসদে থাকবেন না উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, রাজপথ বিরোধী দলের মূল ঠিকানা, সংসদ নয়। সংসদে দেশের জনগণ একটা পরিবর্তনের আশায় তাদের পাঠিয়েছেন, সেই পরিবর্তনের সূচনা করতে না পারলে সেই সংসদ দিয়ে কী হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে লড়বে বিরোধী দল। এর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পরাজয় হবে, বিজয় হবে জনগণের।