অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হিসাববিদদের ‘স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণ’ বা সেলফ রেগুলেশনের আহ্বান জানান। দেশে সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতের প্রতি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্বপ্রণোদিত নিয়ন্ত্রণের পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী রপ্তানির ক্ষেত্রে ইউটিলাইজেশন সনদ দেওয়ার এখতিয়ার বিজিএমইএর হাতে তুলে দিয়েছিলেন বলে স্মরণ করেন। বিএনপির আগের সরকারের সময় তিনি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) বিরুদ্ধে এ সনদ দেওয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। বিজিএমইএর হাতে দেওয়ার পর থেকে তা ভালো চলছে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ৭ হাজার ২০০ প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএর নিবন্ধন নিয়েছিল। এখন আছে ২ হাজার ৫০০টি, বাকিরা নেই, কারণ, তারা ঠিকভাবে হিসাব সংরক্ষণ করেনি। ফুলিয়ে–ফাঁপিয়ে হিসাব তৈরি করলে প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে যায়। উদাহরণ দিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, সম্প্রতি এক তালিকাভুক্ত কোম্পানি কেনার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি দেখলেন, এর সম্পদ ও দায়ের মধ্যে অসংগতি আছে। তালিকাভুক্ত হওয়ার সময় কোম্পানিটি তথ্য ফুলিয়ে–ফাঁপিয়ে হিসাব বিবরণী তৈরি করেছিল। তারা পুঁজিবাজার থেকে বেশি প্রিমিয়াম নেওয়ার জন্য এটা করেছিল।
হিসাব পদ্ধতি স্বচ্ছ না থাকলে বিদেশি ক্রেতারা এখন পণ্য কিনতে চান না বলেও জানান মাহমুদ হাসান খান।