একাধিক চুরির মামলার আসামি। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে এতদিন চলছিল চুরির কারবার। শেষ পর্যন্ত সিসিটিভি ও প্রযুক্তির জালে ধরা পড়েছে যশোরের পেশাদার চোর মেহেদী হাসান মানিক ওরফে ‘চোর মানিক’। বেজপাড়া ছায়াবিথীতে চুরির ঘটনায় তাকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৭ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১৩ টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে৷
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট শেষ রাতে বেজপাড়া ছায়াবিথী রোডের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে চোরেরা। পরে চারটি কক্ষের তালা ভেঙে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা, ২০০ ভরি রুপার গহনা, পাঁচ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল ও ৫৬ ইঞ্চি একটি এলজি টেলিভিশন চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বাসার মালিক এরশাদুল কবীর চৌধুরী ৭ আগস্ট কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মেহেদী হাসান মানিককে শনাক্ত করে।
পুলিশ জানায়, মানিককে গ্রেপ্তারে অভিযান চালালে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। এ সময় তার স্ত্রী বিথী খাতুনকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মানিককে আটক করা হয়।
আটকের পর মানিকের কাছ থেকে চোরাই ৫৬ ইঞ্চি এলজি টেলিভিশন, দুই জোড়া রুপার নূপুর, একটি রুপার ব্রেসলেট ও দুই জোড়া স্বর্ণের কানের রিং উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আটক মানিক শহরের একজন পেশাদার চোর। তিনি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িত তার অন্য সহযোগীদের আটকে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’
এনআই