অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এক দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘মাস্তুল ফাউন্ডেশন’। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির এক অনন্য নজির স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছর নিয়মিত অডিট রিপোর্ট শেয়ার করছে।
২০১২ সালে একদল তরুণকে সঙ্গে নিয়ে স্বপ্নদ্রষ্টা কাজী রিয়াজ রহমান যে মানবিক উদ্যোগ শুরু করেছিলেন তা আজ লাখো মানুষের সহায়তার একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মাস্তুল ফাউন্ডেশন দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে একটি আস্থার নাম হয়ে উঠেছে।
মাস্তুল ফাউন্ডেশন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, জয়েন্ট স্টক কোম্পানি এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরো কর্তৃক নিবন্ধিত একটি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে বিশেষ এসআরও সনদপ্রাপ্ত হওয়ায় এই প্রতিষ্ঠানে প্রদত্ত যেকোনো দান বা জাকাতদাতার জন্য আয়কর রেয়াত হিসেবে গণ্য হয়। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল মানবিক কাজও পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয় এবং সেগুলো শরিয়াহ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করা হয়। প্রতি বছর জাকাত কনফারেন্স ও ডোনার সম্মেলনের আয়োজন করা হয়, যেখানে দেশের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
দাতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সেবার পরিধি এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিস্তৃত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে যেখানেই মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে, সেখানেই সহযোগিতা নিয়ে পৌঁছে গেছেন মাস্তুলের স্বেচ্ছাসেবীরা।
বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি/বিজ্ঞাপনবার্তা