তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রিত্বের ছয় মাস পূর্ণ হলো। মেয়াদের ১০ ভাগের ১ ভাগ সময় পার হলো তাঁর দলের। পাঁচ বছর মেয়াদি সরকারের জন্য ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়, অনেক কমও নয়। ঘরে-বাইরে এই ছয় মাসের চাওয়া-পাওয়া ও সামর্থ্যের কিছু হিসাব হবে এখন। সরকার নিজেও নিশ্চিতভাবে একটা মূল্যায়ন করবে।
দায়িত্ব নেওয়ার সময় ১৮০ দিনের একটা প্রাথমিক কর্মসূচি-পর্বের কথা সরকারি মহল থেকে বলা হয়েছিল। হয়তো তার একটা অডিট বা নিরীক্ষা হবে এখন। শুরুর মুহূর্তটা আশাপ্রদ ছিল, যখন প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের করমুক্ত গাড়ি আমদানি ও প্লট-সুবিধা বন্ধের কথা বলছিলেন। কিন্তু এখন গ্রাম-শহরে আনন্দের রেশে টান পড়েছে।
শহরগুলোর গতি কমিয়ে দিচ্ছে জ্বালানির অপ্রতুল সরবরাহ। এটা প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শিল্প খাতে মরণকামড় দিয়েছে। কাজের সুযোগ কমে আসা মানে বেকারত্ব বাড়া। যাঁদের কাজকর্ম আছে, তাঁদেরও আয় কমছে। চিনি, গম, তেলের মতো জরুরি পণ্য প্রক্রিয়াজাতের বেলায়ও গ্যাসের অভাব বাজারকে শাসাচ্ছে। মনে হচ্ছে জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের সংকট ও সম্ভাবনা সম্পর্কে পূর্বানুমান ও প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল সংশ্লিষ্টদের।