পরে লতিফ সিদ্দিকীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ সময় আদালতকক্ষে কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
আদেশ ঘোষণার আগে লতিফ সিদ্দিকী আদালতে বক্তব্য দিতে চান বলে তাঁর আইনজীবী আবেদন করেন। তবে ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। এরপর কাঠগড়ায় থাকা মাইক্রোফোনে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘মহামান্য আদালত, আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
লতিফ সিদ্দিকী কয়েকবার একই কথা বললে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘কে কথা বলছে? তাঁকে কথা বলার জন্য কে অ্যালাউ করেছে। আজকের মতো এখানেই স্টপ।’
এ সময় লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘হায়রে হায় হায়। এই যদি হয় আদালত, আমি কোথায় যাই।’ এরপর পুলিশ সদস্যরা তাঁর কাছ থেকে মাইক্রোফোন সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।