ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেলরা এখন মনে করছেন, ভবিষ্যৎ আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক অস্ত্রই একমাত্র নিশ্চিত উপায়। তাঁদের এই যুক্তিকে ভুল বলা এখন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দুইবার কোনো সতর্কতা ছাড়াই কূটনৈতিক আলোচনার মাঝপথে হামলা চালিয়েছে।
এমনকি কোনো শান্তিচুক্তি হলেও ইরানিরা জানে যে ট্রাম্প বা নেতানিয়াহুকে বিশ্বাস করা যায় না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই জোট বছরের পর বছর তাদের আগ্রাসন বজায় রাখতে পারে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি গুঁড়িয়ে দেওয়ার ওপর ট্রাম্প যে গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা আসলে লক্ষ্যভ্রষ্ট। কারণ, বোমা মেরে পারমাণবিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সহজে মুছে ফেলা যায় না। তা ছাড়া তেহরানকে নিজের দেশেই পারমাণবিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তারা চাইলে বিদেশের বাজার থেকে এই প্রযুক্তি কিনে নিতে পারে।
এ ক্ষেত্রে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র উত্তর কোরিয়া হতে পারে প্রধান উৎস। আবার ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়ার সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কিম জং–উন এখন পর্যন্ত সরাসরি যুদ্ধে জড়াননি ঠিকই। কিন্তু তিনি যেভাবে গোপনে ইউক্রেনে রুশ বাহিনীকে সহায়তার জন্য সেনা পাঠিয়েছেন, তেমনিভাবে তিনি তেহরানকেও গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করতে পারেন। পারমাণবিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কিমের অতীত ইতিহাস রয়েছে।