আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে আমিনবাজারে হাজীবাড়ি মসজিদের সামনে গিয়ে দেখা যায়, লাশবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সে আহম্মেদ বাবুর মরদেহ রাখা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সের স্বচ্ছ কাচের মধ্য দিয়ে শেষবারের মতো বাবুকে দেখে নিচ্ছেন স্বজনেরা। স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন।
গাড়ির অদূরে মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে বাবুর আট বছর বয়সী মেয়ে এলিনা। আত্মীয়স্বজন তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। রোজা বলে, ‘বাবা আমাকে অনেক কিছু কিনে দিত। ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় আমার জন্য চকলেট আনত, চিপস আনত।’
স্বামীর মৃত্যুতে অসহায় গুলশানারা দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত। তিনি বলেন, ‘সরকারের কাছে আমার আবেদন, আমার বাচ্চা দুইটার ভবিষ্যতের জন্য যেন কিছু একটা করে। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুসারে যদি একটা সুযোগ করে দিত, যেটার মাধ্যমে আমি আমার ছেলেমেয়েদের নিয়ে অন্তত জীবনটা চালাতে পারতাম।’