সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর কথা বিবেচনা করে ঢাকাসহ সারা দেশের দোকান ও শপিং মল খোলার সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘জ্বালানিসংকটের এ সময় দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করার কারণ হচ্ছে, অধিকাংশ দোকানেই দিনে ও রাতে প্রায় একই বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই সকালে দুই ঘণ্টা বন্ধ রেখে সেই সময়টা আমরা সন্ধ্যার পর চাচ্ছি। যাতে অফিস ছুটির পর ক্রেতারা কেনাকাটা করার মতো কিছুটা সময় পান।’ তিনি বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তটি ব্যবসায়ীদের মানানো কঠিন হচ্ছে। আজ শুক্রবার থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হলেও অধিকাংশ দোকান ব্যবসায়ী রাত আটটায় বন্ধ করেছেন।
নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘করোনোর পর থেকে আমরা ব্যবসায়ীরা একটার পর একটা সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। ফলে কমবেশি সব ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত। দুই সপ্তাহ পর পয়লা বৈশাখ। তার জন্য অনেকেই বিনিয়োগ করে বসে আছেন। এখন যদি ব্যবসা করতে না পারেন, তাহলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে। ব্যবসায়ীরা খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন।’