সমর্থন ও সহানুভূতি নিয়ে এই দ্বন্দ্বের শেষ নেই। অবশ্য যুদ্ধে যারা সরাসরি জড়িত, তারা মুখে যা-ই বলুক, বাংলাদেশিদের সমর্থন নিয়ে তাদের খুব একটা মাথাব্যথা থাকার কথা নয়। আমাদের কাছে নেই কোনো মিসাইলভান্ডার, নেই বড় কোনো অস্ত্রাগার। তবু যুদ্ধ শুরু হলেই সমর্থনের প্রশ্ন সামনে চলে আসে। যুদ্ধ যেন ক্রিকেট বা ফুটবলের মতো—আপনাকে কোনো না কোনো দলকে সমর্থন করতেই হবে। দেশে নির্বাচনও শেষ হয়েছে; ফলে অনেক মানুষের অবসর আলোচনার বড় অংশজুড়ে এখন যুদ্ধ।

এই যুদ্ধ শুরু করেছে মার্কিনিরা—এমনটাই অনেকের ধারণা। তারা ভেবেছিল, খামেনিকে হত্যা করা গেলে ইরান মাথা নত করে ইসরায়েলের কাছে ক্ষমা চেয়ে শান্ত হয়ে যাবে। কিন্তু তা হয়নি; বরং যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হয়েছে। আর তাতে মার্কিন সেনাদেরও প্রাণ দিতে হচ্ছে। যুদ্ধ যখন বড় আকার নিতে শুরু করল, তখনই মার্কিন প্রশাসনের ওপর প্রশ্নের চাপ বাড়তে লাগল—ট্রাম্প এই যুদ্ধ কেন শুরু করেছিলেন? ট্রাম্প প্রশাসনও এর খুব সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। কারণ, হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ছিল এবং অনেকের ধারণা ছিল, দুই দেশের মধ্যে কোনো না কোনো সমঝোতা হতে পারে। কিন্তু সেই আলোচনার মধ্যেই শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews